কাছে আসার গল্প - ০১
গল্পের শুরু চার বছর আগে, যখন ছেলে ইন্টার ২য়বর্ষ এবং মেয়ে নবম শ্রেণীতে পড়ত। এক অনুষ্ঠানে তাদের পরিচয় হয় কারণ তাদের দু'জনের বাবা'রা একে অপরের বন্ধু। ছেলের বাবা পরিচয় করিয়ে দেয়, এটা আমার বন্ধু আর ও তার মেয়ে। ছেলেটি যখন পরিচয় হয় তখন একদম আধুনিক ছেলেদের মত চুল স্পাইক(খাড়া) করা, গায়ে ফুটবলের জার্সি, মুখে ডেভিড ভিয়ার মত দাঁড়ি। মেয়ে সাধারণ বাঙালি হওয়ায় ছেলেকে দেখে মোটেও ভাল লাগে নি। আর ছেলেও পরিচয় হয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডায় ব্যস্ত হয়ে গেল। তারপর ছেলে ইন্টার পাশের পর ভাল একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগও পেয়ে যায়। ভর্তির পর এলাকার দাওয়াতি লোকদের দাওয়াত পেয়ে চল্লিশ দিনের জন্য আল্লাহ্'র রাস্তায় বের হয়ে যায়। জীবন এক নতুন মোড় নেয়। তিন বছর পর ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩য় বর্ষের ছাত্র। ঐবছর ১ম বর্ষে ভর্তির দিনে ছেলেটি নতুন ছাত্রদের ভর্তির জন্য সাহায্য করছিল। ঘটনাক্রমে মেয়েটিও তার বাবার সাথে ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ে সেই দিন ভর্তি হতে আসে। ছেলেটি বাবার বন্ধুকে চিনতে পারে এবং কাছে যায়।ছেলে: আসসালামু আলাইকুম, Uncle. চিনতে পারছেন?
Uncle: ওয়ালাইকুম সালাম। তুমিইই,,,,
ছেলে: আমি সাদ। আপনার বন্ধু মাসউদের ছেলে।
Uncle: ও! বাবা তুমি। তোমার দাঁড়ি, টুপি, পাঞ্জাবী দেখে চিনতেই পারি নি। তো তুমি ভাল আছো? তুমি এখানে পড়ো? তো জঙ্গী সংগঠন কর নাকি?
ছেলে: জ্বি, আলহামদুলিল্লাহ্ ভাল আছি। নাহ্। এই তো সাধারণ মুসলিম হওয়ার চেষ্টায় আর কি। আর ইসলাম তো জঙ্গীবাদ সমর্থন করে না। আমি এখানে ৩য় বর্ষে Forestry তে পড়ছি। আপনি এখানে? আপনার কেউ ভর্তি হবে নাকি?
Uncle: ওহ! তা ঠিক বলেছো।যাক ভালোই হলো। আমার মেয়েটাও তোমার অনুষদেই ভর্তি হবে, কিন্তু কিছুই তো বুঝতে পারছি না, এখন কি করবো?। তুমি একটু সাহায্য কর বাবা। কোথায় গেলি মা এদিকে আয়।
মেয়ে: বাবা কি বল?
Uncle: দেখ তোর মাসউদ Uncle এর ছেলেএখানেই পড়ে। তোকে সাহায্য করবে।
এরপর ছেলেটি ফটোকপি থেকে শুরু করে ব্যাংকে যাওয়া সহ সব কাজেই সাহায্য করলো। মেয়েটি তারপরও বিরক্ত, কারণ ছেলেটি তার দিকে একবারও তাকায় নি, চোখ নিচু করে কাজ করে যাচ্ছে। প্রয়োজন ছাড়া কথাও বলছে না। মেয়ে ভাবছে কি ক্ষ্যাত ছেলেটা!! ভর্তি হওয়ার পর মেয়েটা চলে যায়। তার আগে ওর বাবা ছেলের ফোন নম্বর নেয়। এরপর ক্লাস শুরুর আগে মেয়েটির বাবা ফোন দিয়ে থাকার জায়গা ঠিক করে দেওয়ার অনুরোধ করে। ছেলেটি একটা ব্যবস্থা করে দেওয়ায় মেয়ের বাবা অনেক খুশি, এরপর সমস্যায় সাহায্য করার জন্যেও অনুরোধ করে।
তারপর মেয়েটি ক্লাস শুরু করে। একই অনুষদ হওয়ায় একই ভবনে ক্লাস দু'জনের। ২য় দিন
ক্লাস শেষে মেয়েটা ছেলেকে সিঁড়ি দিয়ে নামতে দেখে কাছে যায়। হাজার হোক অনেক সাহায্য করেছে। মেয়ে: Hello, ভাইয়া। কেমন আছেন?
ছেলে: হ্যাঁ, ভাল। কিছু দরকার? (মাথা নিচু করে)
মেয়ে: না মানে। কোথাও বসি একটু কথা বলি।
ছেলে:আসলে আমার সময় নেই। কোন জরুরী দরকার হলে বলবেন। তারপর ছেলেটি চলে গেল।
মেয়েটি অপমানবোধ করলো। মেয়ে হয়ে কথা বলতে গেল, তারপরও কথা বলল না। ছেলেটার উপর অনেক রাগ হলো। ভাবলো কত ছেলেই না কলেজে থাকতে পিছনে ঘুরঘুর করতো। আর এই হুজুর!! এই হুজুররা আসলেই অসামাজিক। এদিকে অন্যান্য বড় ভাইরা বিভিন্ন ভাবে বিরক্ত করে প্রায়দিন। আবার ২ দিন পর দেখে কথা বলতে গিয়ে একই ঘটনা। ছেলে তো মাথা নিচু করে চলে গেল। এবার আরও রাগ হলো। ভাবলো জীবনে আর কথাই বলবে না। এরপর ক্যাম্পাসের নবীন বরণসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে দেখে ছেলেটাকে কোথাও পাওয়া যায় না। শুধু ক্লাস ছাড়া। ব্যাপারটা মাথায় ঢুকলো না। ছেলেটার ক্লাসের এক আপুর কাছে তার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে জানতে পারে যে, সে শুধু ক্লাসেরই না, ক্যাম্পাসের সবচেয়ে ভাল ছেলেদের মধ্যে একজন। এসব বেশিরভাগ দাঁড়ি,টুপি ওয়ালারা কোন মেয়ের সাথে কথা তো দূরে, তাদের দিকে তাকায়ও না, এরা মেয়েদের সম্মান করে, কোন অনুষ্ঠানে যায় না। এরা প্রায় সময় মানুষদের ধর্মের দিকে আকৃষ্ট করার চিন্তায় ব্যস্ত থাকে। এবার মেয়েটির চিন্তা গুলো পাল্টানো শুরু হলো। সে ভাবলো তাই তো, অন্যান্য ভাইদের তুলনায় ছেলেটা অনেক ভাল। এরপর সে ছেলেটিকে লুকিয়ে দেখা শুরু করলো। সে দেখলো ছেলেটা নতুন ছেলেদের সাথে সহজেই মানিয়ে যায়। রিক্সাওয়ালা,ভিক্ষুকদেরও পর্যন্ত সালাম দেয়, তাদের খোঁজ খবর নেয়। যেখানে তারা এসব মানুষদের তুচ্ছ ভাবে, তখন এযুগেও এসব ছেলেও পাওয়া যায়!!!
ছেলে: হ্যাঁ, ভাল। কিছু দরকার? (মাথা নিচু করে)
মেয়ে: না মানে। কোথাও বসি একটু কথা বলি।
ছেলে:আসলে আমার সময় নেই। কোন জরুরী দরকার হলে বলবেন। তারপর ছেলেটি চলে গেল।
মেয়েটি অপমানবোধ করলো। মেয়ে হয়ে কথা বলতে গেল, তারপরও কথা বলল না। ছেলেটার উপর অনেক রাগ হলো। ভাবলো কত ছেলেই না কলেজে থাকতে পিছনে ঘুরঘুর করতো। আর এই হুজুর!! এই হুজুররা আসলেই অসামাজিক। এদিকে অন্যান্য বড় ভাইরা বিভিন্ন ভাবে বিরক্ত করে প্রায়দিন। আবার ২ দিন পর দেখে কথা বলতে গিয়ে একই ঘটনা। ছেলে তো মাথা নিচু করে চলে গেল। এবার আরও রাগ হলো। ভাবলো জীবনে আর কথাই বলবে না। এরপর ক্যাম্পাসের নবীন বরণসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে দেখে ছেলেটাকে কোথাও পাওয়া যায় না। শুধু ক্লাস ছাড়া। ব্যাপারটা মাথায় ঢুকলো না। ছেলেটার ক্লাসের এক আপুর কাছে তার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে জানতে পারে যে, সে শুধু ক্লাসেরই না, ক্যাম্পাসের সবচেয়ে ভাল ছেলেদের মধ্যে একজন। এসব বেশিরভাগ দাঁড়ি,টুপি ওয়ালারা কোন মেয়ের সাথে কথা তো দূরে, তাদের দিকে তাকায়ও না, এরা মেয়েদের সম্মান করে, কোন অনুষ্ঠানে যায় না। এরা প্রায় সময় মানুষদের ধর্মের দিকে আকৃষ্ট করার চিন্তায় ব্যস্ত থাকে। এবার মেয়েটির চিন্তা গুলো পাল্টানো শুরু হলো। সে ভাবলো তাই তো, অন্যান্য ভাইদের তুলনায় ছেলেটা অনেক ভাল। এরপর সে ছেলেটিকে লুকিয়ে দেখা শুরু করলো। সে দেখলো ছেলেটা নতুন ছেলেদের সাথে সহজেই মানিয়ে যায়। রিক্সাওয়ালা,ভিক্ষুকদেরও পর্যন্ত সালাম দেয়, তাদের খোঁজ খবর নেয়। যেখানে তারা এসব মানুষদের তুচ্ছ ভাবে, তখন এযুগেও এসব ছেলেও পাওয়া যায়!!!
এরপরের দিন মেয়েটি অনুষদ ভবনের সামনে যেতেই তার এক ব্যাচ উপরের কিছু বড় ভাই
বাজে প্রস্তাব দেয়। এতে মেয়েটি ভয় পায় এবং কান্না শুরু করে। ঠিক ঐসময় ছেলেটি ঐখানে আসতেই ঐবখাটে ছেলে গুলো সালাম দিয়ে বলে সাদ ভাই কেমন আছেন? ছেলেটি বলে এখানে সমস্যা কি, মেয়েটি আমার পরিচিত। তখন ছেলে গুলো বলে, ভাই আগে বলবেন তো। কেউ আর সমস্যা করবে না। ছেলেটি মেয়েটিকে হলে চলে যেতে বলল। এরপর থেকে মেয়েটি ছেলেটিকে নিয়ে আরও ভাবতে শুরু করলো। ছেলেটির আত্মসংযমী, দ্বায়িত্বশীলতা, ধার্মিকতা, ন্যায়পরায়ণতার প্রতি মেয়েটি মুগ্ধ হয়ে গেল। সিদ্ধান্ত নিল এই ছেলের জীবনে প্রবেশ করার।
পরদিন ক্লাস শেষে ছেলেটিকে দেখতে পেয়ে কাছে গেল।
মেয়ে:এই যে শুনুন,আপনার সাথে কথা আছে আমার সাথে চলেন।(আবেগ ভরা কণ্ঠে)
ছেলে: এখানেই বলুন।
মেয়ে: এখানে সম্ভব না।
ছেলে: আমি এভাবে যে কোন মেয়ের সাথে কোথাও যেতে পারবো না।
মেয়ে:তাহলে কোন রকম মেয়ের সাথে যাবেন?
ছেলে: নিজের স্ত্রী, মা, বোন ব্যতীত কারও সাথে না।
মেয়ে: তাহলে আমি আপনার স্ত্রী'ই হতে চাই।(লজ্জায় মাথা নিচু করে)
ছেলে: এভাবে কিভাবে? আমার পরিবারের অনুমতি নিতে হবে। তাছাড়া আমি এবং আপনি অনেক আলাদা। আমাকে নিয়ে আপনি, আর আপনাকে নিয়ে আমি বিপদে পরবো। তাছাড়া আমি এমন একজনকে চাই যাকে নিয়ে দ্বীন(ধর্ম) পালন করা সহজ হয়।
মেয়ে:এই যে শুনুন,আপনার সাথে কথা আছে আমার সাথে চলেন।(আবেগ ভরা কণ্ঠে)
ছেলে: এখানেই বলুন।
মেয়ে: এখানে সম্ভব না।
ছেলে: আমি এভাবে যে কোন মেয়ের সাথে কোথাও যেতে পারবো না।
মেয়ে:তাহলে কোন রকম মেয়ের সাথে যাবেন?
ছেলে: নিজের স্ত্রী, মা, বোন ব্যতীত কারও সাথে না।
মেয়ে: তাহলে আমি আপনার স্ত্রী'ই হতে চাই।(লজ্জায় মাথা নিচু করে)
ছেলে: এভাবে কিভাবে? আমার পরিবারের অনুমতি নিতে হবে। তাছাড়া আমি এবং আপনি অনেক আলাদা। আমাকে নিয়ে আপনি, আর আপনাকে নিয়ে আমি বিপদে পরবো। তাছাড়া আমি এমন একজনকে চাই যাকে নিয়ে দ্বীন(ধর্ম) পালন করা সহজ হয়।
মেয়েটি কিছু না বলে চলে যায়। ছেলেটির খারাপই লাগলো, ভাবলো মেয়েটি বোধয় কষ্টই পেয়েছে। কিন্তু ভবিষ্যতের কথা ভেবেই করতে হয়েছে।
এরপর মেয়েটি সিদ্ধান্ত নিল তাকেও ধার্মিক হতে হবে। তখন থেকে ধর্মীয় পড়াশোনা শুরু করলো। এক বড় আপুর সাহায্যে মাস্তুরাত জামাতের খোঁজ পেল। নিয়মিত তালিম মাশোয়ারাই জুড়তে লাগলো। এরপর বড় একটা সিদ্ধান্ত নিল যে বিশ্ববিদ্যালয়ে আর যাবে না। দীর্ঘ ২মাস পর বাবার কাছে তার পছন্দের কথা জানালো। তার বাবা মেয়ের পরিবর্তন দেখে আগেই বুঝতে পেরেছিল তার উপর ছেলেটি সর্ম্পকে আগেই জানতো, তাই তিনি বেশিই খুশি হয়েছেন। মেয়ের বাবা ছেলের বাবাকে প্রস্তাব দিতেই তিনিও খুশি মনে গ্রহণ করলেন। ব্যস সব ঠিকঠাক করে ছেলেকে ফোন করে জানানো হলো।
ছেলে: আসসালামুআলাইকুম, বাবা ভাল আছেন?
বাবা: ওয়ালাইকুমসালাম। ভাল আছি। আগামী সপ্তাহে তোর বিয়ে ঠিক হয়েছে। তুই তাড়াতাড়ি চলে আয়।
ছেলে: বিয়ে মানে,,,,কি বল,,,,
বাবা: হ্যাঁ, মেয়ে আমাদের খুব পছন্দ হয়েছে। মেয়ে খুব পর্দানশীন আর ধার্মিক, তোর পছন্দ হবে। ছেলে: ঠিক আছে, তোমরা যা ভাল মনে কর। তবে একটা শর্ত আছে। বিয়ে আমি মসজিদে করবো। আর চাকরি পাওয়ার পরই বউ বাসায় তুলবো।
বাবা: ঠিক আছে।
বাবা: ওয়ালাইকুমসালাম। ভাল আছি। আগামী সপ্তাহে তোর বিয়ে ঠিক হয়েছে। তুই তাড়াতাড়ি চলে আয়।
ছেলে: বিয়ে মানে,,,,কি বল,,,,
বাবা: হ্যাঁ, মেয়ে আমাদের খুব পছন্দ হয়েছে। মেয়ে খুব পর্দানশীন আর ধার্মিক, তোর পছন্দ হবে। ছেলে: ঠিক আছে, তোমরা যা ভাল মনে কর। তবে একটা শর্ত আছে। বিয়ে আমি মসজিদে করবো। আর চাকরি পাওয়ার পরই বউ বাসায় তুলবো।
বাবা: ঠিক আছে।
ছেলের তখন ঐ মেয়েটির কথা ভেবে একটু খারাপ লাগলো। এই দু'মাসে সে একবারও মেয়েটিকে দেখতে পায় নি।তারপরও বাবা মার খুশির কথা চিন্তা করে ভাবলো এতেই হয়তো তার মঙ্গল আছে।
এরপর বরকতময় সময়, বরকতময় স্থান, বরকতময় নিয়ম তথা শুক্রবার জুমার পর মসজিদে বিয়ের খুতবা পড়া হলো। মেয়ের অভিভাবক হিসেবে তার বন্ধুর বাবাকে দেখে সে বুঝতে পারলো কার সাথে তার বিয়ে হচ্ছে। সে মনে মনে মহা খুশি।সে ভাবলো এই জন্যেই হয়তো তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখে নি। বিয়ে শেষে খেজুর ছিটানো হলো। এরপর ছেলের বাসার সবার দাওয়াত হলো মেয়ের বাড়িতে।
রাতে খাওয়া শেষে ছেলের খুব ইচ্ছে হচ্ছিল মেয়ের সাথে কথা বলার কিন্তু উপায় কি? নতুন জামাই বলে কথা। ছেলে তার খালাকে বলে মেয়েকে ছাদে ডেকে পাঠালো। কিছুক্ষন পর মেয়ে ছাদে আসলো। তখন পূর্ণিমার রাত। এই সময় ছেলেটি এই প্রথম মেয়েটিকে ভালভাবে দেখলো।
(এখন তারা স্বামী-স্ত্রী)
স্বামী : আসসালামু আলাইকুম। আপনাকে তুমি ডাকতে পারি?
স্ত্রী : ওয়ালাইকুম সালাম। কিছু কাজ বিনা অনুমতিতেই করা উচিত।
স্বামী: তোমার নাম তাহলে আয়েশা?
স্ত্রী: জিজ্ঞেস করছো না নিশ্চিত হচ্ছো? কেন আগে শোন নি? (রাগ হয়ে) স্বামী: তোমার নাম শুনবো বলেই তো কারও নাম শুনি নি আগে। স্ত্রী: এভাবে কি দেখছো। আগে দেখ নি?(লজ্জা পেয়ে)
স্বামী: মাশআল্লাহ।তোমায় দেখবো বলেই তো কাউকে দেখি নি আগে।
স্ত্রী: কি ভাবছো?
স্বামী: তোমায় নিয়ে ভাববো বলেই তো কোন কিছু ভাবি নি আগে।
এরপর দু'জন দু'জনের ২খানা উপহার এগিয়ে দেয়। দু'জনই অবাক হয়ে যায়। আরও অবাক হয়ে যায় দু'জন একই বই উপহার হিসেবে এনেছে। বইটি ছিল মুফতি তাকি উসমানী'র লেখা"বিবাহ ও স্বামী স্ত্রীর অধিকার"।দু'জনের মুখে প্রশান্তির হাসি। স্ত্রী স্বামীর কাধে মাথা রেখে চাঁদের দিকে তাকিয়ে, জানো প্রথম শুধু আমার জন্য তোমাকে পছন্দ করেছিলাম,কিন্তু ইসলাম পালন করতে গিয়ে অনুভব হলো,এখন আমি আল্লাহ্'র জন্যেও পছন্দ করি, আমার সফলতা এখানেই। স্বামী বলল, এখনও না, যখন দু'জন একসাথে জান্নাতেও থাকব তখনই সফল হবো। আবার দু'জনের প্রশান্তির হাসি। এভাবই চলুক,,,,,,
(এখন তারা স্বামী-স্ত্রী)
স্বামী : আসসালামু আলাইকুম। আপনাকে তুমি ডাকতে পারি?
স্ত্রী : ওয়ালাইকুম সালাম। কিছু কাজ বিনা অনুমতিতেই করা উচিত।
স্বামী: তোমার নাম তাহলে আয়েশা?
স্ত্রী: জিজ্ঞেস করছো না নিশ্চিত হচ্ছো? কেন আগে শোন নি? (রাগ হয়ে) স্বামী: তোমার নাম শুনবো বলেই তো কারও নাম শুনি নি আগে। স্ত্রী: এভাবে কি দেখছো। আগে দেখ নি?(লজ্জা পেয়ে)
স্বামী: মাশআল্লাহ।তোমায় দেখবো বলেই তো কাউকে দেখি নি আগে।
স্ত্রী: কি ভাবছো?
স্বামী: তোমায় নিয়ে ভাববো বলেই তো কোন কিছু ভাবি নি আগে।
এরপর দু'জন দু'জনের ২খানা উপহার এগিয়ে দেয়। দু'জনই অবাক হয়ে যায়। আরও অবাক হয়ে যায় দু'জন একই বই উপহার হিসেবে এনেছে। বইটি ছিল মুফতি তাকি উসমানী'র লেখা"বিবাহ ও স্বামী স্ত্রীর অধিকার"।দু'জনের মুখে প্রশান্তির হাসি। স্ত্রী স্বামীর কাধে মাথা রেখে চাঁদের দিকে তাকিয়ে, জানো প্রথম শুধু আমার জন্য তোমাকে পছন্দ করেছিলাম,কিন্তু ইসলাম পালন করতে গিয়ে অনুভব হলো,এখন আমি আল্লাহ্'র জন্যেও পছন্দ করি, আমার সফলতা এখানেই। স্বামী বলল, এখনও না, যখন দু'জন একসাথে জান্নাতেও থাকব তখনই সফল হবো। আবার দু'জনের প্রশান্তির হাসি। এভাবই চলুক,,,,,,

No comments:
Post a Comment