Friday, November 22, 2019

Prio Nobi

সৃষ্টিকুল যেন সাড়ে চৌদ্দশত বছর পূর্বে এই মাসের সেই সময়ের অপেক্ষায় ছিল। মানবতার সর্বোচ্চ প্রকাশ তাঁর দ্বারাই হয়েছে। আপনার আমার সাথে যার হৃদয়ের গভীর থেকে গভীরের সম্পর্ক। আচ্ছা, কখনো কি জানতে ইচ্ছা করে না মানুষটা পুরো জীবন সমন্ধে? যিনি দেখায়ে গেল আলোর পথ, অন্ধকারের ভাগাড় থেকে মানবতাকে হাত ধরে তুলে এনে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছালেন। তিনিই তো আরবের জাহেল লোকগুলোকে পৃথিবী বিখ্যাত বানালেন, না জ্ঞান-বিজ্ঞান দিয়ে, আর না নতুন কোন আবিষ্কার দিয়ে। তাঁদের শেখালেন মানবতার কৌশল, সেখালেন কি করে স্রষ্টার সন্তুষ্টিতে সৃষ্টি বদলায়।
পাঠ্যক্রমের বিষয়গুলো পড়তে যেয়ে কতজনেরই না জীবনী পড়া হয়ে গেল, শুধু আমার আপনার হৃদয়ের মানুষটারই জীবনীই বাদ পড়ে গেল? বড় অমানবকি হয়ে গেল না ব্যাপারটা? এখনো সময় শেষ হয় নি। এই পবিত্র মাসে রবিউল আউয়াল উদযাপন করতে, ঈদ' ঈদ না চিৎকার দিয়ে, যার জন্য এই উৎসব, তাঁকেই ভাল করে চিনি। বাস্তব জীবনেও কাউকে ভালবাসতে গেলে ভালবাসার মানুষটির ভাল লাগা না লাগা, সব রকম আবদার আমরা মাথা পেতে নিই। অথচ প্রাণপ্রিয় মানুষটিকে ভালবাসার বেলায় কেন এত কার্পণ্য?

যদি বলা হয় ইতিহাস কি ও কেন প্রয়োজন৷ এটা কি শুধু কিছু গল্প-কাহিনী, যা শুধু বিনোদন দিবে? নাকি শিশুদের ঘুম পাড়িয়ে দেয়ার মাধ্যম? নাকি একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব গঠনের উপকারি মাধ্যম? নাকি একটা জাতি গঠনের কার্যকরি চেতনা?
ইতিহাস পাঠের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে গেলে বলা যায়, ইতিহাস পাঠে পাঠক তার জাতির ঐতিহ্য ও অতীতের গৌরবজনক অধ্যায়গুলো সম্পর্কে জানতে পারে। পাঠকের সাহস বৃদ্ধি পায়। জ্ঞান ও প্রজ্ঞা বৃদ্ধির পাশাপাশি অন্তর থেকে দুশ্চিন্তা ও চিন্তাক্লিষ্টতা দূর হয়ে যায়। সত্য চেনার ও মিথ্যা প্রতিপন্ন করার মতো অন্তর্দৃষ্টি ও মনোবল বৃদ্ধি পায়। পাঠক সে জাতির অতীত কর্ণধার ও নায়কদের উন্নত চরিত্র দ্বারা প্রভাবিত হয়। জাতির কোন বিপদসময় সে পিছপা হয় না, বরং আত্মবিশ্বাসে পূর্ণ থেকে সমস্যার মোকাবেলা করে।
আলহামদুলিল্লাহ। পৃথিবীর জাতি সমূহের মধ্যে মুসলমানই একমাত্র জাতি, যার রয়েছে সর্বাধিক গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস-ঐতিহ্য। মুসলমানদের পূর্বে পৃথিবীর অন্য কোন জাতির সৌভাগ্য হয়নি যে, ইতিহাসকে একটা সঠিক ভিত্তির উের রীতিমত একটা শাস্ত্ররুপে দাঁড় করাবে। অন্যান্য জাতির কেউই তাদের পূর্বপুরুষদের সঠিক ইতিহাস রচনায় সমর্থ হয় নি। মুসলমানগণ যেভাবে নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময় থেকে কুরআন ও হাদীসকে বিশুদ্ধভাবে সংরক্ষণ করে এসেছে। তাঁরা ঠিক পরবর্তীতে ইতিহাসও সংরক্ষণ করে আসছে। ইতিহাসের ঘটনা বর্ণনা ও সংরক্ষণের যে পদ্ধতি তৈরী করেছে, ইতিহাসের অন্য কোন জাতির মধ্যে এরকম নযীর আর নেই। আর না কেয়ামত পর্যন্ত আসবে।

সৃষ্টিকুল যেন সাড়ে চৌদ্দশত বছর পূর্বে এই মাসের সেই সময়ের অপেক্ষায় ছিল। মানবতার সর্বোচ্চ প্রকাশ তাঁর দ্বারাই হয়েছে। আপনার আমার সাথে যার হৃদয়ের গভীর থেকে গভীরের সম্পর্ক। আচ্ছা, কখনো কি জানতে ইচ্ছা করে না মানুষটা পুরো জীবন সমন্ধে? যিনি দেখায়ে গেল আলোর পথ, অন্ধকারের ভাগাড় থেকে মানবতাকে হাত ধরে তুলে এনে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছালেন। তিনিই তো আরবের জাহেল লোকগুলোকে পৃথিবী বিখ্যাত বানালেন, না জ্ঞান-বিজ্ঞান দিয়ে, আর না নতুন কোন আবিষ্কার দিয়ে। তাঁদের শেখালেন মানবতার কৌশল, সেখালেন কি করে স্রষ্টার সন্তুষ্টিতে সৃষ্টি বদলায়।
পাঠ্যক্রমের বিষয়গুলো পড়তে যেয়ে কতজনেরই না জীবনী পড়া হয়ে গেল, শুধু আমার আপনার হৃদয়ের মানুষটারই জীবনীই বাদ পড়ে গেল? বড় অমানবকি হয়ে গেল না ব্যাপারটা? এখনো সময় শেষ হয় নি। এই পবিত্র মাসে রবিউল আউয়াল উদযাপন করতে, ঈদ' ঈদ না চিৎকার দিয়ে, যার জন্য এই উৎসব, তাঁকেই ভাল করে চিনি। বাস্তব জীবনেও কাউকে ভালবাসতে গেলে ভালবাসার মানুষটির ভাল লাগা না লাগা, সব রকম আবদার আমরা মাথা পেতে নিই। অথচ প্রাণপ্রিয় মানুষটিকে ভালবাসার বেলায় কেন এত কার্পণ্য?

No comments:

Post a Comment

One

অনেক ধরনের চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খায়। খেয়ে দেয়ে আবার ক্লান্তও হয়ে যায়। যার কিছু হয়তো ভাল, আবার কিছু হয়তো কালো। তেমনি আজ একটা বিষয় মাথায় আসলো।...