কয়েকদিন আগে একটা দৃশ্য চোখে ধরা পড়লো। এক বৃদ্ধ, বেশ বয়স হয়েছে, দাঁড়ি
পেকে সাদা থেকে হলুদ লালচে ভাব ধরে গেছে, গায়ের চামড়া যথেষ্ট ঢিল হয়ে গেছে।
বয়স্ক পাঞ্জাবী গায়ে দিয়ে( বয়স্ক পাঞ্জাবী বলতে খেয়াল করবেন, বেশির ভাগ
বৃদ্ধরা টরে কাপড়ের সাদা/ছাই/খয়েরী রঙের একবারে সাধারণ পাঞ্জাবী পড়তে দেখা
যায়) রাস্তা পার হচ্ছে। রাস্তা পার হতেই পারে, এটা আবার বলার কি আছে? আগে
পুরাটা শুনবেন তো নাকি? সে পার হচ্ছে ডান হাতে এক ব্যাগ নিয়ে আর অপর হাতে?
জ্বী, বাম হাতে তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রীর হাত। বৃদ্ধারও যথেষ্ট বয়স, বয়স্ক
বোরকা পরে(থাক আর বর্ণনা দিলাম না, বুঝে নিয়েন) চেহারায় কিছুটা আতংক নিয়ে
তাঁর জীবনসঙ্গী বুড়োর হাতটা যথেষ্ট ভরসার সাথে ধরে আছে।
আমি তাকিয়ে তাকিয়ে তাদের পার হওয়ার দৃশ্যটা দেখছিলাম। বৃদ্ধ বেশ সচেতন হয়েই রাস্তাড গাড়িগুলোর দিকে তাকিয়ে রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু বয়স হয়ে গেছে তো, চাইলেই কি আর মস্তিষ্ক আগের মতো, শরীর আগের মতো কাজ করবে? একটু পার হতেই এক রিক্সা জোরে তার সামনে দিয়ে চলে গেল, অল্পের জন্য সংঘর্ষ হয় নি। ভয়ে দুজন আবার দুই কদম পিছে চলে গেল। তারপর আবার চেষ্টা শুরু। বৃদ্ধা হয়তো জানে যে তাঁর প্রিয়তম বুড়োটার বয়স হয়ে গেছে, তাকে রাস্তায় সামলানো বেশ কষ্টই হয়ে যাবে। কিন্তু তারপরও যার সাথে ৪০-৫০ বছর পার করে দিলাম, তার সঙ্গ কিভাবে ছাড়ে। কতটা পথ দুজনে একসাথে পারি দিয়েছে। যৌবনে পেয়েছে তাকে, আজ জীবনের শেষের দিকে। কতশত ঘটনা, হাসি, কান্না এই দুজনের। কত বড় বড় বিপদে দুজন দুজনকে আগলে রেখেছে সবসময়। মান-অভিমানের পর প্রেমের গভীরতা কত যে বৃদ্ধি পেয়েছে! আর শেষ সময়ে এসে তাঁকে ছেড়ে দিব! এ হতেই পারে না, জান যায় একসাথে যাক। বুড়োটাকে ছেড়ে বাকি জীবন কাটবেই বা কেমনে! আল্লাহ্ যেন তুলে নেয় একসাথে, আবার জান্নাতে রেখেও দেয় একসাথে।
ওহ, আমি যে কখন তাদের পার করে চলে এসেছি মনেই নাই। ভাবনার জগতে ডুব দিলে যা হয় আর কি।
আমি তাকিয়ে তাকিয়ে তাদের পার হওয়ার দৃশ্যটা দেখছিলাম। বৃদ্ধ বেশ সচেতন হয়েই রাস্তাড গাড়িগুলোর দিকে তাকিয়ে রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু বয়স হয়ে গেছে তো, চাইলেই কি আর মস্তিষ্ক আগের মতো, শরীর আগের মতো কাজ করবে? একটু পার হতেই এক রিক্সা জোরে তার সামনে দিয়ে চলে গেল, অল্পের জন্য সংঘর্ষ হয় নি। ভয়ে দুজন আবার দুই কদম পিছে চলে গেল। তারপর আবার চেষ্টা শুরু। বৃদ্ধা হয়তো জানে যে তাঁর প্রিয়তম বুড়োটার বয়স হয়ে গেছে, তাকে রাস্তায় সামলানো বেশ কষ্টই হয়ে যাবে। কিন্তু তারপরও যার সাথে ৪০-৫০ বছর পার করে দিলাম, তার সঙ্গ কিভাবে ছাড়ে। কতটা পথ দুজনে একসাথে পারি দিয়েছে। যৌবনে পেয়েছে তাকে, আজ জীবনের শেষের দিকে। কতশত ঘটনা, হাসি, কান্না এই দুজনের। কত বড় বড় বিপদে দুজন দুজনকে আগলে রেখেছে সবসময়। মান-অভিমানের পর প্রেমের গভীরতা কত যে বৃদ্ধি পেয়েছে! আর শেষ সময়ে এসে তাঁকে ছেড়ে দিব! এ হতেই পারে না, জান যায় একসাথে যাক। বুড়োটাকে ছেড়ে বাকি জীবন কাটবেই বা কেমনে! আল্লাহ্ যেন তুলে নেয় একসাথে, আবার জান্নাতে রেখেও দেয় একসাথে।
ওহ, আমি যে কখন তাদের পার করে চলে এসেছি মনেই নাই। ভাবনার জগতে ডুব দিলে যা হয় আর কি।
No comments:
Post a Comment